
সাজেদুল ইসলাম রাসেল ,বগুড়া সদর(বগুড়া)নিজস্ব প্রতিনিধি
২৯ মে ২০২৫ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিটে বগুড়া জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে—একটি ইয়াবার চালান বেচাকেনার উদ্দেশ্যে তিন ব্যক্তি সাতমাথা হোটেল একাত্তরের সামনে অবস্থান করছে।
এসআই কুদ্দুসের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে
আটক করা হয়:
আনসার সদস্য মোঃ আবু সুফিয়ানের নিকট হতে ৭০০ পিস ইয়াবা।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা সবাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য।
গ্রেফতারকৃতদের পরিচয়
1. মোঃ সাখাওয়াত হোসেন
পদবী: ট্রাফিক কনস্টেবল (নং: ৭৭৫)
কর্মস্থল: সদর, জয়পুরহাট
2. মোঃ আব্দুল ওয়াহাব
পদবী: কনস্টেবল (নং: ৯১১)
কর্মস্থল: আরআরএফ, রাজশাহী
3. মোঃ আবু সুফিয়ান
পদবী: আনসার সদস্য (নং: ৪৬০১৫)
তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, তারা কিছুক্ষণ পূর্বে ১৫০ পিস ইয়াবা এক ব্যক্তির কাছে বিক্রি করেছে।
আরও একজন পুলিশের নাম ফাঁস
জানা তথ্য অনুযায়ী, যে ব্যক্তি ১৫০ পিস ইয়াবা কিনেছেন, তিনিও একজন পুলিশ সদস্য। অভিযান চালিয়ে তাকেও ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করা হয়।
4. মোঃ আব্দুল আলিম
পদবী: নায়েক (নং: ৩১৫)
কর্মস্থল: বগুড়া পুলিশ লাইন্স
প্রধান অভিযুক্ত কনস্টেবল সাখাওয়াত হোসেন দীর্ঘদিন ডিএমপি ও র্যাবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি রাজশাহী রেঞ্জে বদলি হন। তিনি নিজে ইয়াবাগুলো সংগ্রহ করে, বাকিদের সাথে নিয়ে বগুড়ায় আসেন।
প্রথমে ১৫০ পিস ইয়াবা বিক্রি করেন পুলিশ নায়েক আলিমকে।
বাকি ৭০০ পিস বিক্রির সময় ডিবি পুলিশের হাতে আটক হন।
চারজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজু করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

