
মোহাম্মদ আইয়ুবঃ চকরিয়া(কক্সবাজার)বিশেষ প্রতিনিধি
কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার আওতাধীন কাকারা ৭নং ওয়ার্ড়ের কৃষক রহিম উল্লাহ’র ২একর জমিতে চাষ করা লাউয়ের ক্ষেত গতরাত আনুমানিক ৩ঘটিকার সময় কে বা কাহারা কেটে দিয়ে সাবাড় করে ফেলেছে।
প্রতিদিনের ন্যায় রহিম সকালে ক্ষেতে গেলে এই অবস্থা দেখে হতবাক হয়ে যায়। পরে কখর পেয়ে এলাকা বাসী গিয়ে সব ক্ষেত কাটা অবস্থায় দেখতে পায়।
উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এর তৎক্ষনাৎ নির্দেশনায় কাকারা বিএনপি’র দপ্তর সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম এমএ,উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ন-আহবায়ক আরিফুল্লাহ,কাকারা ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃমুসা,তরুন বিএনপি নেতা শামীম প্রমুখ।
কাকারা ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কারা নির্যাতিত বিএনপি নেতা মোঃ শোয়াইবুল ইসলাম এম.এ সরেজমিনে পরিদর্শন করে বলেন “কৃষক বাঁচলে, বাঁচবে দেশ” বাংলাদেশের প্রাণ কৃষি, আর কৃষকই জাতির মূল ভিত্তি। তারা ভোরের আলো ফোটার আগেই মাঠে যায়, রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে দিনশেষে আমাদের প্লেটে খাবার তুলে দেয়। অথচ আজকের আধুনিক সভ্যতায় কিছু বিবেকহীন মানুষ সেই কৃষককেই ভুলে গিয়ে গতকাল ১৪ই জুন দক্ষিণ কাকারা নিবাসী কৃষক আব্দুর রহিমের প্রায় ৫ একর লাউ ক্ষেত কেটে ফেলে। যাহা অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয়। আমি কাকারা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে উক্ত ঘটনার তিব্র নিন্দা ও জোরালো প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অনতিবিলম্বে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার, চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক সুস্থ তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি। এবং চকরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক কৃষক রহিমকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য অনুরোধ করছি। কাকারা ইউনিয়ন সহ চকরিয়া উপজেলার সম্মানিত ধনাঢ্য ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার জন্য অনুরোধ করছি।
কৃষক দল নেতা আরিফুল্লাহ বলেন-রহিম উল্লাহ আমার কৃষক দলের ৭নং ওয়ার্ড়ের সাধারন সম্পাদক তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদে আমরা তাকে দেখতে এসেছি,যারা এই ন্যাক্কার জনক ও গর্হিত কাজ করেছে তাদের অনতি বিলম্বে খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
একই এলাকার রাজ্জাল নামের এককৃষক বলেন”আমরা খুবই ভয়ও সঙ্কার মধ্যে আছি আমাদের ক্ষেত নিয়ে কারন রহিমের মত আমরাও ধারদেনা করে এই ক্ষেত করেছি,যারা এই রকম ঘৃণিত কাজ করেছে তাদের গ্রেপ্তর করে বিচারের আওতায় আনা হউক।
খবর নিয়ে জানতে পারলাম ইতোপূর্বে রহিমুল্লার ক্ষেত আরো ৩/৪ বার কাটা হলেও দুর্বিত্তরা ধরাছোয়ার বাইরে থাকায় এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী।

