
মোঃফজলুল হক ,বিশেষ প্রতিনিধি লালমনিরহাট।
লালমনিরহাটে রেলওয়ে দুর্নীতির শেষ নেই এখনো আ.লীগের দোসরা দাপটে চলছে লালমনিরহাট বিভাগীয় রেলওয়ে ভবনটি
এই সেই মেহেদী হাসান বাপ্পি(উজ্জ্বল) টি,এক্স,আর। ও তাসরুল জাম্মান বাবু এই তাসরুল জাম্মান বাবু বিগত আ.লীগের সময় কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে সে আজ বদলি নিয়েছে। কিন্তু তার সহযোগী রেলকর্মকর্তা এখনো লুকিয়ে আছে লালমনিরহাট রেলভবনে।
৫/৯/২০১০ সে ট্রেড এপেন্ডেন্স পোস্টে জয়েন করে। তারপড়েই বিগত আ.লীগের সময় তার কপাল খুলে যায়। তাদের দাপটে চলতো বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার কার্যালয়।এখন
আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ। দুই দুইবার পদোন্নতি হওয়ার পরেও কিভাবে একই জায়গায় বহাল থাকে।বিগত আ.লীগের সময় নিয়োগ বাণিজ্য,বদলিজনিত বাণিজ্য, করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।এই দুইজন রেল কর্মকর্তা। কন্টাকটার কাজ পাইয়ে দেওয়া ও তাদের কাছে কমিশন খাওয়া ১০% না দিলে কাজ দেয়া হতো না ।এবং যে জিনিস রেলওয়েতে অকেজ হয়ে পড়ে থাকা সেগুলো ক্রয় বিক্রয় করেও লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন এই দুই রেল কর্মকর্তারা।এই তাসরুল জ্জামান বাবু তার সাথে সদ্য সম্পর্ক রেখে বিগত আওয়ামী লীগ সময়। বিভিন্ন ভাবে হাতিয়ে নিয়েছেন লক্ষ লক্ষ টাকা।এই উজ্জ্বল টিএক্স আর ও তাসরুল জ্জামান বাবু । বিগত আ. লীগের আমলে তাদের নামে সাংবাদিকরা মানববন্ধন বিক্ষোভ করেছিলো। এনারা গার্ড, টিটি, অ্যাটেনডেন,ডিউটি করতে গেলে এসে তাদেরকে গাড়িতে টিকিট ছাড়া যে সকল যাত্রীদের কাছে টাকা নেয়া হোত সেই টাকার ভাগ দিতে হতো এই দুই রেল কর্মকর্তাকে। না দিলে পরেদিন ডিউটি বন্ধ হয়ে যেতো কারণ তারা সত্য তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী তারা অসহায় হয়ে তাদের অবিচার সহ্য করত বাধ্য হত।এই দুই রেল কর্মকর্তার দুর্নীতির কোন শেষ নেই। দুই দুবার পদোন্নতি হওয়ার পরও স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে এখনো তার চেয়ারে বহাল রয়েছে এই মেহেদী হাসান ওরফে উজ্জ্বল।এখনো তার দাপটে চলছে কন্ট্রোল অফিস।।

