
জুয়েল মিয়া ঝিনাইগাতী (শেরপুর) নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে গারো পাহাড়ের শাল গজারীর বন রাংটিয়া।সুগভীর এই গজারী বনের ভিতর অবস্থিত হযরত শাহ সেকান্দর (রহঃ) এর মাজার শরীফ।প্রত্যেকবছর হযরত শাহ সেকান্দর রহঃ এর মাজারে বাংলাদেশের বিভিন্ন বাউল শিল্পীদের নিয়ে(পাঁচদিনব্যাপি)চলে পবিত্র ওরশ মোবারক। তারই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার হাজারো ভক্ত,আশেকানদের উপস্থিতির মধ্যদিয়ে ৫ম দিনেও চলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বাউল শিল্পীদের বিচ্ছেদ ভান্ডারী গান।বছর ঘুরে এমন জাঁকজমকপূর্ণ ওরশ এবং বাউল গান প্রতিটি মুসলিম বাঙালির হৃদয়ের আবেগ।তাই হযরত শাহ সেকান্দর রহঃ এর পবিত্র ওরশ মোবারক কেন্দ্র করে শেষ দিনে (৫ম দিন) ছিল হাজারো মানুষের উপচে পড়া ভীড়।এদিন শেষ মোনাজাতের মধ্যদিয়ে ওরশ সমাপ্তি হবে বলে মাজার পরিচালনা কমিটি জানান।এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, হযরত শাহ সেকান্দর রহঃ এর মাজার বহুকাল আগের পুরনো হলেও এমন আয়োজন করে ওরশ চলছে ২৬বছর যাবৎ।আরও প্রবীণদের মুখে শোনা যায়,হযরত শাহ জালাল রহঃ যখন সিলেটের পূন্য ভূমিতে আগমন হয়েছিল সেই সময়ে হযরত শাহ সেকান্দর রহঃ ইন্ডিয়ার আসাম থেকে এসেছিলেন এই ঝিনাইগাতী রাংটিয়া ইদ্রিস মিয়ার গারো পাহাড়ে এবং অবস্থান করেছিল দীর্ঘ সময় ধরে। সুনিবিড় ছায়াঘেরা এই পাহাড়ি লতাপাতা ঘেরা পবিত্র মাজার শরীফ এর সম্পুর্ন ইতিহাস জানতে চাইলে, সেকানকার বসবাসরত আদিবাসী গোষ্ঠী (বয়স্ক শ্রেণীর কোচ,হাজং,গারো)রা বলেন-অতকুচো খবার ফারিনা, ইখানে অনেক আগে থিকা ইটা মাজার ডিখছি,আর খিছু জানিনা।

