
কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার জামালপুর চৌরাস্তায় ইজারাদারকৃত গরুর হাটের পাশে আরেকটি গরুর হাট বসানো হয়েছে এতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। এতে দীর্ঘদিনের পুরনো ইজারাদারকৃত গরুর হাটে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্বের সম্মুখীন হচ্ছে। আসন্ন কুরবানির ঈদকে সামনে রেখে সুসজ্জায় সাজিয়ে তুলতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে হাট কতৃপক্ষ। দুইটি হাটেই গরুর হাসিল একলক্ষ টাকার উপড়ে হলে ১০০০ টাকা ও ৭০ হাজারের নিচে হলে ৫০০ টাকা খাসি ও ভেড়া ৩০০ টাকা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নের জামালপুর চৌরাস্তার হাট কালিয়াকৈর উপজেলার মধ্য অন্যতম গরুর হাট। এখানে প্রতি শনিবার গরু, মহিষ,ছাগল, ভেড়া, কেনা বেঁঁচা হয়। এই হাটের এবারের সরকারি ইজারাদারকৃত মূল্য ১ কোটি ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা।
জামালপুর চৌরাস্তা হাটের ইজারাদার ফরহাদ হোসেন জানান, আমি বৈধভাবে টেনডার জমা দিয়ে হাট ইজারাদারের দায়িত্ব পেয়েছি। এই হাটের আগের মূল্য ছিল ১৮ লক্ষ টাকা,দীর্ঘ সময় তারা ১০/১২ বছর হাট করছে এবছর আমি হাট ডাক দিছি ৮১ লক্ষ টাকা আমি বৈধভাবে টেনডার পেয়েছি আমাকে সরকারি ভাবে হাট আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছি। আমার ভ্যাট ট্যাক্স সবমিলিয়ে খরচ হয়েছে ১ কোটি ৫ লক্ষ এিশ হাজার সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছি। অথচ আমার পাশেই আরেকটি গরুর হাট বসে কিভাবে আমি প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
শাহিনুর আলম জানান, আমাদের যারা বান্দা ব্যাপারী বা শুভাকাঙ্ক্ষী আছে তাদের অনুরোধে আমরা হাট বসিয়েছি।
আমরা ঈদ উপলক্ষে এই গরুর হাট বসিয়েছি। আমাদের এই হাট নিজস্ব জমিতে বসিয়েছি। আমাদের এই হাট হল দোয়ানীচালা আর ওই হাট হল জামালপুর চৌরাস্তা ।
ব্যাপারী হাশেম ও তমিজ জানান আমরা দূর দুরান্ত থেকে অনেকগুলো গরু বিক্রি করতে এসেছি। পাশাপাশি দুইটি হাট বসে আমাদের ঝামেলায় ফেলে দিয়েছে। একটা সমস্যার সৃষ্টি হলে এর দায়ভার কে নিভে ? কিন্তু আজ রাস্তার মধ্যে গরুর গাড়ি থামিয়ে অন্য হাটে যেতে চাপ দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার আহাম্মেদ জানান, জামাল পুর চৌরাস্তা গরুর হাট সরকারি নিয়মের মধ্যে ইজারা দেওয়া হয়েছে।শুনেছি এই হাটের পাশেই তাদের নিজস্ব জমিতে আরেকটি হাট বসিয়েছে । বিষয়টি তদন্ত করে তদন্ত সাপেক্ষ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

