বাড়িবাংলাদেশেচট্টগ্রাম বিভাগঅগ্নিদগ্ধ এরশাদ মাস্টারকে বাঁচাতে এগিয়ে আসতে ছায়ানীড়ের আহবান। 

অগ্নিদগ্ধ এরশাদ মাস্টারকে বাঁচাতে এগিয়ে আসতে ছায়ানীড়ের আহবান। 

মোহাম্মদ এরশাদ আলী, লংগদু (রাঙ্গামাটি)

গুলশাখালী ইউনিয়নের প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক এরশাদ আলী মাস্টারের চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা কামনা করে বিত্তবান লোকদের মানবিক সহযোগিতার আহবান জানালেন সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ছায়ানীড়।

গত ১০ মার্চ, ২০২৪ ইং তারিখ রাতে গ্যাসের চুলায় রান্না করান সময় হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে গুলশাখালী ইউনিয়নের সরকারি প্রথমিক বিদ্যালয়ের স্কুল শিক্ষক এরশাদ আলী মাস্টারের স্ত্রী অগ্নিদগ্ধ হন। স্ত্রীকে বাঁচাতে তিনি বেদিক হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন আগুনে। খুব দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে সমস্ত ঘরে। ফলে তার স্ত্রী এবং তিনি আগুনে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। ঘরে রাখা জিনিসপত্র, কাপড়-চোপড়, টাকা কোন কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরনের কাপড় পর্যন্ত আগুনে পুড়ে যায়। মুহূর্তের আগুনে সবকিছু পুড়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে যান এরশাদ মাস্টার ।

বর্তমানে এরশাদ মাস্টারের চিকিৎসা চলছে ঢাকার পান্থপথস্থ প্লাটিনাম (প্রাইভেট) হসপিটালে এবং তার স্ত্রীর চিকিৎসা চলছে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে। প্রতিদিন দুজনের চিকিৎসা খরচ কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা। তাদের আনুমানিক পাঁচটি অপারেশন করতে হবে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। অর্থাৎ চিকিৎসা ব্যয় অনির্দিষ্ট এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল। যদি সুস্থ হন তাতে সময় লাগবে আমি কমপক্ষে ছয় মাস ।এমতাবস্থায় তিনি একেবারেই নিরুপায় হয়ে আছেন।

অগ্নিদগ্ধ এরশাদ মাস্টার এবং তার স্ত্রীর বাঁচার আকুতি…….

মানবিক বন্ধুরা এগিয়ে আসুন……

গুলশাখালী ইউনিয়নের প্রাইমারি স্কুল শিক্ষক আমাদের সুপরিচিত এরশাদ আলী। ইউনিয়নের বিত্তবান লোকদের মধ্যে তিনি ছিলেন অন্যতম। শিক্ষকতার পাশাপাশি একজন সফল ব্যবসায়ী হিসেবে তার পরিচিতি বেশ।

গত ১০ মার্চ, ২০২৪ ইং তারিখ রাতে গ্যাসের চুলায় তার স্ত্রী রান্না করছিলেন। হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে তার স্ত্রী অগ্নিদগ্ধ হন। স্ত্রীকে বাঁচাতে তিনি বেদিক হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন আগুনে। খুব দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে সমস্ত ঘরে। তার স্ত্রী এবং তিনি আগুনে মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন। ঘরে রাখা জিনিসপত্র, কাপড়-চোপড়, টাকা কোন কিছুই উদ্ধার করা সম্ভব হয় নাই। পরনের কাপড় পর্যন্ত আগুনে পুড়ে যায়। মুহূর্তের আগুনে সবকিছু পুড়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে যান।

পূর্বেই বলেছি এরশাদ মাস্টার উপজেলার একজন বিত্তবান মানুষ। আমাদের ধারণা তার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়ানো কাম্য নয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এবং নিদারুণ বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। গৃহে রাখা সমস্ত সম্পদ তার পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এদিকে ভাষান্যাদম ইউনিয়নে তার একটি পেপে বাগান রয়েছে। যে পেঁপে বাগান কেবলমাত্র শুরু হয়েছে, এবং এই বাগানে ইনভেস্ট করেই তিনি অর্থ শূণ্য হয়ে আছেন।

বর্তমানে এরশাদ মাস্টারের চিকিৎসা চলছে ঢাকার পান্থপথস্থ প্লাটিনাম হসপিটালে (প্রাইভেট) এবং তার স্ত্রীর চিকিৎসা চলছে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে। প্রতিদিন দুজনের চিকিৎসা খরচ কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা। এদিকে তাদের আনুমানিক পাঁচটি অপারেশন করতে হবে। অর্থাৎ চিকিৎসা ব্যয় অনির্দিষ্ট এবং অত্যন্ত ব্যয়বহুল। যদি সুস্থ হন তারপরও তাতে সময় লাগবে আমি কমপক্ষে ছয় মাস ।

এমতাবস্থায় তিনি একেবারেই নিরুপায় হয়ে পরিচিত শুভাকাঙ্ক্ষী, উপজেলার সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সহ অনেককে অশ্রুসিক্ত নয়নে তার বেঁচে থাকার আকুতি জানিয়ে বলেন, “লংগদু উপজেলার মানুষ আমি আপনাদেরই সন্তান, আমাকে বাঁচান। আমি চিকিৎসা খরচ বহন করতে পারছি না। সাময়িক নগদ অর্থের অভাবে আমি মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে। আমি বাঁচতে চাই। অগ্নিদগ্ধ হয়ে আমি যেন দুনিয়াতেই দোযখের আগুনে পুড়ছি।

এরশাদ আলী মাস্টারের বর্তমান অবস্থা বিবেচনা করে সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “ছায়ানীড় লংগদু” চিকিৎসা সহায়তা ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করে। সমাজের বিত্তবান মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানান।

মানবিক দৃষ্টিতে তাকে সহযোগিতা করতে চান তারা দয়া করে নিন্মুক্ত নির্ধারিত নম্বরে সহায়তা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

বিকাশ, নগদ – 01820305059 (personal)

বিকাশ, নগদ, রকেট – 01876635452 (personal)

বিকাশ – 01829662357 (personal)

ফান্ড এবং সার্বিক বিষয়ে জানতে যোগাযোগঃ

মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ

প্রভাষক, লংগদু সরকারি মডেল কলেজ।

আহ্বায়ক

ছায়ানীড় লংগদু। মোবাঃ 01823378940

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments