
মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম (বাঁশখালী উপজেলা প্রতিনিধি)
চট্টগ্রাম বাঁশখালীতে প্রবাসীর মরদেহ দেশে মৃত্যুর ১৯দিন পর, নিজ গ্রামে জানাজা ও দাফন সম্পূর্ণ। দুবাই প্রবাসী মাওলানা হাফেজ উল্লাহর (৪২) কফিনবন্দি লাশ ১৯ দিন পর দেশে পৌঁছেছে।
তিনি চট্টগ্রাম বাঁশখালী,দক্ষিণ জলদি, রংগিয়াঘোনা নিবাসী মরহুম মাওলানা আশরাফুজ্জামান সাহেবের পুত্র।
গত ডিসেম্বর মাসের ২৪ তারিখে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ মাদাম মসজিদের ফজরের নামাজের ইমামতির পর তাঁর দায়িত্বরত
মসজিদের বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় স্ট্রোক করলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। সোমবার (১২ জানুয়ারী ২৫) সকাল ১০টায় স্থানীয় রংগিয়েঘোনা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার মাঠে
জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
রবিবার (১১ জানুয়ারী ) রাত ১০ টার দিকে দুবাই থেকে তাঁর লাশের কফিন চট্টগ্রাম হযরত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাত ১১ টার দিকে লাশটি গ্রহণ করে তাঁর পরিবার।
মাওলানা হাফেজ উল্লাহর পরিবারে স্ত্রী, এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে।
মরহুম মাওলানা হাফেজ উল্লাহর ভাই মাওলানা শাকের উল্লাহ বলেন, ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় এবং পরিবারকে সুখে রাখতে ২০০৪ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাত দুবাইতে যায় মাওলানা হাফেজ উল্লাহ। ২২ বছর ধরে সেখানে প্রবাস জীবন কাটিয়েছেন তিনি। মাঝে মধ্যে দেশে এসে পরিবারের সাথে সময় কাটিয়ে যেতেন। চলতি বছরের শেষের দিকে ছুটিতে দেশে আসা কথা ছিল তাঁর। কিন্তু গত ডিসেম্বর মাসের ২৪ তারিখে দুবাইতে নিজ কর্মস্থল মসজিদের বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।
এদিকে আজ সোমবার ভোর ৫ টার দিকে তাঁর লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স দক্ষিণ জলদী গ্রামের বাড়িতে পৌঁছালে স্বজনদের কান্নার রোল পড়ে যায়। এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি দেখা যায়।
সকাল ১০টায় স্থানীয় রংঘিয়েঘোনা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার মাঠে মরহুমের একমাত্র সন্তান হাফেজ আশরাফুল মনির আদিব এর ইমামতির মাধ্যমে,
বাঁশখালী আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত সাংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, বাঁশখালী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা ইসমাইল সহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন ও হাজার হাজার মুসল্লীদের উপস্থিতিতে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

