
সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
লাদেশে চীন সরকারের সহায়তায় তিনটি চায়না ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, শোনা যাচ্ছে একটি রংপুরে স্থাপনের সিদ্ধান্ত ইতোমধ্যেই গৃহীত হয়েছে। বাকি দুটি স্থানের মধ্যে একটি সন্দ্বীপে স্থাপনের দাবি জোরালোভাবে উত্থাপন করা হয়েছে।
সন্দ্বীপ বাংলাদেশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল। দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ১৪ শতাংশ আসে প্রবাসী সন্দ্বীপবাসীর কাছ থেকে, যা দেশের মোট জিডিপিতে প্রায় ২ শতাংশ অবদান রাখে। এই বিশাল অবদানের পরও সন্দ্বীপ দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত হয়ে আছে, বিশেষ করে স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে। আধুনিক যুগেও এখানকার মানুষকে চিকিৎসা সেবা পেতে মাঝ সমুদ্র পাড়ি দিতে হয়। অনেক মায়েদের সন্তান প্রসব করতে হয় স্পিড বোটে, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
সন্দ্বীপে একটি চায়না ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল স্থাপন শুধু সন্দ্বীপবাসী নয়, বরং আশেপাশের দ্বীপ যেমন হাতিয়া, ভোলা, ভাসানচর, উড়িরচর এবং নিকটবর্তী নোয়াখালীর জনগণের জন্যও এক বিশাল আশীর্বাদ হবে। এই হাসপাতাল উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনতে পারে।
এমতাবস্থায় সরকারের নিকট দাবী, চীন সরকারের সহায়তায় গঠিত একটি চায়না ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল সন্দ্বীপে স্থাপন করে এ অঞ্চলবাসীর দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও কষ্ট লাঘব করা হোক।

