
মোঃ শান্ত শেখ।টুংগীপাড়া(গোপালগঞ্জ)নিজস্ব প্রতিনিধি
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বর্নি ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাদশা বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ।
ক্ষমতাশীল শফিকুল ইসলাম বাদশা একজন দুর্নীতিবাজ তিনি ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালীন তার বিরুদ্ধে চাল চোরের অভিযোগ করছিলেন ইউপি ৬ মেম্বার। ও তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা ও ২৫ লক্ষ টাকার চেকের মামলা আছে বর্তমানে।
তিনি বর্ণি ইউনিয়নে একাধিক লোকের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পলাতক অবস্থায় আছেন।
কিছু ভুক্তভোগী জানান ক্ষমতাশীল শফিকুল ইসলাম বাদশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ গ্রামবাসী। তিনি লতা নামের এক গৃহ বধূকে ফুসলিয়ে চাকরি দেওয়া কথা বলে একাধিক বার ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ওই মহিলা অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরিলে আবার তাকে তার গোপালগঞ্জ বাসায় নিয়ে জোর পূর্বক ভয় দেখিয়ে আবার কয়েক বার ধর্ষণ করে। নিরুপায় পয় হয়ে ওই মহিলা থানায় মামলা করতে যায় কিন্তু ক্ষমতাশীল শফিকুল ইসলাম বাদশার ভাই অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহিদুল ইসলাম রুবেল সাভার সার্কেল এর সহযোগিতায় থানায় মামলা নেন না গোপালগঞ্জ থানা পুলিশ। শফিকুল ইসলাম বাদশার ক্ষমতার জেরে কেউ প্রতিবাদ করতে পারে না। তিনি ইউপি চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় কুমকুম নামের ওই একই পরিবারে সদস্য তাকে খুলনা উপজেলা স্বাস্থ্য চাকরি দেন। ওই মেয়ের কাছ থেকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নেন ধার হিসাবে কিন্তু টাকা চাইলে টাকা ফেরত দেই না। ভুক্তভোগী মামুন নামের এক ছেলে বলেন, আমাকে চৌকিদারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১ লক্ষ টাকা নেন। আরো এক ভুক্তভোগীকে চৌকিদারি চাকরি দেওয়ার কথা বলে ১ লক্ষ টাকা নেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিক জসিম বলেন তার কাছের থেকে Nsi তে তার ভাইদের দিয়ে চাকরি দিবে বলে, প্রথম ৮ লক্ষ ১০ হাজার টাকা নেন। এক মাস পর আবার ৬ লক্ষ টাকা নেন বলে জানান ভুক্তভোগী জসিম।
সাংবাদিক জসিম বলেন শফিকুল ইসলাম বাদশার লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে গোপালগঞ্জ শহরে মোহাম্মাদপাড়া ১০ তালা বাড়ি বানান, যার বর্তমান মূল্য ৩ কোটি টাকার উপরে। একজন ইউপি চেয়ারম্যান ও বর্নি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ঢাকায় তার উত্তরা হাউস বিল্ডিং খালপাড় নলভোগা ৬ তালা বাড়ি এবং তার নিজের নামে কয়েকশো কোটি টাকার জমি কিনা আছে। ক্ষমতাশীল শফিকুল ইসলাম বাদশাহরা ৬ ভাই । একজন সাভার সার্কেল শহিদুল ইসলাম রুবেল আর এক ভাই NSI সহকারী পরিচালক এই দুই ভাই এর ক্ষমতার জেরে কেউ কিছুই বলতে পারেনা। তাই সরকারের কাছে জোর দাবি সাংবাদিক জসিম সহ আরো ভুক্তভোগী যাহাতে তাদের সাথে ক্ষমতার জোরে এমন কাজ করছে আগামীতে এমন নেতা এই কাজ না করতে পারে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা দ্রুত গ্রহণ করা হোক।

