বাড়িবাংলাদেশেঢাকা বিভাগমানিকগঞ্জে জলবায়ু পরিবর্তন ন্যায্যতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

মানিকগঞ্জে জলবায়ু পরিবর্তন ন্যায্যতা প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

মোঃ নাসির উদ্দিন,হরিরামপুর(মানিকগঞ্জ)নিজস্ব প্রতিনিধি:

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার হাটিপাড়া ইউনিয়নের বরুন্ডি এগ্রোইকোলজি লারনিং সেন্টারে পিপলস লেড এগ্রোইকোলজি ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাড্যাপটেন্সান প্রোগ্রামের বারসিক উদ্যোগে দুই দিন ব্যাপী কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন ন্যায্যতা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালা সভাপতিত্ব করেন শোভা রাণি রায়। প্রশিক্ষণ কর্মশালা পরিচালনা করেন বারসিক সহযোগি সমন্বয়কারী সত্যরঞ্জন সাহা। প্রশিক্ষণ কর্মশালা আলোচনা করেন এগ্রোইকোলজি লানিং সেন্টারের পরিচালক গোসাই দাস রায়, কৃষি উদ্যোক্তা শহিদুল ইসলাম, কৃষক মনোয়ারা বেগম, কৃষক উদ্যোক্তা আয়েশা বেগম বারসিক সহযোগি আঞ্চলিক সমন্বয়কারী শিমুল কুমার বিশ্বাস, শিরিন আক্তার, ময়নাল হক ।

আলোচনা বক্তারা বলেন আমাদের কৃষক নির্ভর কৃষি আবাদ করতে হবে। আমাদের মাটির স্বাস্থ্য রক্ষার করে চাষাবাদ করতে হবে। মাটি হলো মা, মাটি ভালো থাকলে আমরা সকল প্রাণ ভালো থাকবে। মাটি ভালো রাখার জন্য মৌসুম ভিক্তি বিভিন্ন শষ্য চাষাবাদ করতে হবে। আমাদের মিশ্র ফসল চাষাবাদের মাধ্যমে উৎপাদন খরচ কমাতে হবে

মিশ্র ফসল চাষাবাদের মাধ্যমে বীজবৈচিত্র্য-সংরক্ষণ করতে হবে। এগ্রোইকোলজি চর্চার মাধ্যমে সকল প্রাণবৈচিত্র্য স-অবস্থান থেকে ভালো থাকবে। আবাদে কৃষকদের নিকট বীজ, জৈব সার থাকবে, মাটির ধরণ অনুযায়ী কৃষক স্বাধীনভাবে চাষাবাদ করবে। আমাদের দেশের কৃষি প্রকৃতি নির্ভর। কৃষকগণ বর্ষা বা বন্যায় মাঠে হিজল দিঘা, দিঘা, ভাউয়্যালা ধান চাষ করে। মাঠে পানি আসার সাথে সাথে ধান বড় হতে থাকে। কৃষকগণ ধান উত্তোলন করে বীজ সংরক্ষণ করেন।

আবার বর্ষা আসার আগে পাট বপন করে। বর্ষার সময় পাট কেটে জাগ দেয়, পাট সংগ্রহ করে। আমাদের নিজস্ব দেশী বীজ চাষাবাদে মাধ্যমে বীজ বৈচিত্র্য সংরক্ষণ করতে হবে। নারীদের হাতে দেশীয় বীজ নিরাপদ। প্রয়োজন বীজ বিনিময়ের মাধ্যমে সম্প্রসারণ করা। আমাদের লোকায়ত জ্ঞান ও চর্চা কাজে লাগানো। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় মাধ্যমে বর্ষায় উচুঁ ভিটায় লতা জাতীয় শাক সবজি চাষ, জমিতে ডিপি করে চাষ ও বীজবৈচিত্র্য সংরক্ষণ করেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় স্থানীয় জাতের দেশীয় বীজ চাষাবাদের মাধ্যমে প্রকৃতি ও পরিবেশের খাপ সাথে খাপ খাওয়াতে সক্ষম হচ্ছে।

প্রশিক্ষণ কর্মশালা শেষে কৃষক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা শেয়ারিং ও পর্যবেক্ষণ করেন কৃষিপ্রতিবেশবিদ্যা শিখন কেন্দ্রের বীজ ব্যাংক, ভার্মি কম্পোষ্ট, বসত বাড়িতে শাক সবজি ও মসলা চাষ ও কৃষক নেতৃত্বে প্রায়োগিক ধান গবেষণা কার্যক্রম, বস্তায় আদা চাষ ও বাড়িতে দেশীয় মুরগি পালন। কৃষক উদ্যোগে তৈরীকৃত দেশী বীজ থেকে লাউ ও নলডোগ, কইয়া শিম ও পুষ্টি শিমের চারা বিনিময় করেন।

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments