
শান্ত শহর সিলেটের মৌলভীবাজার।হযরত শাহ জালাল রহ.এর সহচর হযরত শাহ মোস্তফা রহ. এই শহরে ঘুমিয়ে। আবহমান কাল থেকে শহরটির পরিবেশ শান্ত, সুন্দর, এবং গর্বের। ইদানীং কিছু গ্যাং লিডারের ছত্রছায়ায় গড়ে উঠতেছে পিতামাতার অবাধ্য, বখাটে, উগ্র কিশোরদের-কিশোরীদের সমন্বয়ে কিশোরগ্যাং।বিগত ৬/৪/২০২৫ ইং রোজ রবিবার রাত আনুমনিক১০.৩০মিনিটে পৌরসভার সম্মুখ গেটের সামনের রাস্তার পাশে তামান্না চটপটি দোকানে বন্ধুদের নিয়ে বসা মৌলভীবাজার বাজার কোর্টের তরুণ আইনজীবী সুজন মিয়া, খিদুর রোড মৌলভীবাজার কে কয়েক জন কিশোর এসে অতর্কিত ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় । আহত আইনজীবী কে তড়িঘড়ি মৌলভীবাজার ২৫০ সয্যা হাসপাতালে নেওয়া হলে ডা. মৃত ঘোষণা করেন।এ নিয়ে শহর উত্তপ্ত হয়ে উঠে। পরদিন ৭/৪/২৫ শোকে মুহ্যমান আইনজিবী সহ সর্বস্থরের নাগরিক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। এরই মধ্যে ধৃষ্টতা দেখিয়ে ভোর থেকে উক্ত স্থানে খোলে বসা কয়েকটি চটপটি দোকান বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে ভাংচুরের কবলে পড়ে। সংবাদ কর্মীরা আসেন উপস্থিত জনতার সাথে আলাপ কারেন মোটিভ উদ্ঘাটনের চেষ্টা চালান। বিভিন্ন জনের সাক্ষাৎকার নেন। আলোচনায় জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে কাশি নাথ আলাউদ্দিন স্কুল এন্ড কলেজের দেয়াল ঘষা এ সব চটপটির দোকানে বসে বসে কিশোর কিশোরী,ক্লাস ফাঁকি দেয়া ছাত্র-ছাত্রী, যুবক যুবতী, এমনকি পৌঢ়রা ও চটপটি খাওয়ার নাম করে প্রেমপ্রীতি, মনের আদানপ্রদান, অশালীন অঙ্গভঙ্গি, এমনকি এতো নোংরা কাজকারবার করে যদ্ধরুন শিক্ষার্থী, শিক্ষক শিক্ষিকারা লজ্জায় হেট হন। আরো জানাযায় এসব দোকান কে কেন্দ্র করে পুরিয়া, ট্যাবলেট, ড্রিংক এর হাত বদল হয়। আর এসব ঘটে দোকানীদের সামনেই। লাভের আশায় দেখে ও না দেখার ভান করেন। তারাও কোনো না কোন ভাবে এসব অপকর্মের দায় এড়ানোর সুযোগ কোথায়? অত্র কলেজের

