
অরিন্দম বর। জেলা নিজস্ব প্রতিনিধি,মাগুরা।
আশ্বিনের শারদও প্রাতে নৈস্বর্গীক আপন সাজ নিয়ে এবার মা দূর্গা যেন বাংলাদেশে আসছে একটা বৈচিত্র্যময় আমেজ নিয়ে।ধূপ ধোঁয়া ঢাকঢোল ও শাখ শব্দে প্রকম্পিত মন্ডম প্রাঙ্গন যেন মানব প্রকৃতির মধ্যেও এক বিশেষ শিহরণ জাগিয়ে তোলবে আর কিছুদিন পরই। আগামীর ২১ শে সেপ্টেম্বর মহা পঞ্চমীর ঢাকের কাঠিতে বাড়ি পড়ার দিয়ে শুরু হবে এবং ২রা অক্টোবরের বিসর্জনের বিজয়া দশমীর মাধ্যমে শেষ হবে হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা।এ নিয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমের জেলা মাগুরার শিল্পীরা খুব ব্যস্ত সময় পার করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে মাগুরায় এবার ৬২০ টি পূজার আরতী অনুষ্ঠিত হবে।এর মধ্যে শালিখা উপজেলাই ১৩২ টি। শালিখা উপজেলার পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি বাবু গোবিন্দ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন,, মাগুরা তথা শালিখায় আমাদের সবচেয়ে ধর্মীয় এ অনুষ্ঠানটি যথারীতি ভাবগাম্ভীর্যেই অনুষ্ঠিত হতে সব ধরনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ, যেকোনো পরিস্থিতিতে আমাদের এখানে সম্প্রীতি ধরে রাখতে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি সবসময়।
দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে এক একজন ভাষ্কর তার নিপূণ তুলির আঁচড়ে সর্বসুন্দরে পরিপাটি করে তোলার এক আত্মিক শান্তির প্রতিযোগিতা করে চলছে।
এদিকে আসন্ন পূজা কে সামনে রেখে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশনা অনুযায়ী সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রতিমাগুলো ভাস্করগণ এমন নিপুণ হাতে কাজ করে যাচ্ছে তারা যেন এক একটা তিলোত্তমার গড়া বিশ্বকর্মা! আর কিছুদিন পরই শিল্পীর নিপুণ তুলীর আঁচড়ে দেশের অন্যতম হিন্দু অধ্যুষিত অঞ্চল মাগুরায় মা দূর্গা চোখ মেলতে শুরু করবে!।নদী বিধৌত বাংলায় শাপলা শালুক আর দুকূলে সেজে ফোঁটা সাদা কাশফুলে দুলে চলে আমাদের সে পুজার গন্ধ নিয়ে।এ সময় মন পবনের নাউ বেঁয়ে সুখ সৌরভের এক বৈচিত্র্যময় গন্ধ মেখে যেন সমগ্র বাঙালির চিত্তে দোল দিয়ে যায়।এ সময় নদীতে ভেসাল ঘেসে সুকুমার মাঝির ডিঙি নৌকায় পাল তুলে বয়ে চলে আর কন্ঠে সারি গানের তাল তুলে যেন তা জনপদে ভাসিয়ে দিয়ে যায়। সে সুর হয়তো ভেসে নিয়ে যায় দুকুলে জনপদে। এবার বন্যায় অভাবী সংসারে দামি শাড়ি শূন্যতা নিয়ে বাপের বাড়ি যাওয়া কোন বিরহিনীদের।

