
মো: বনি আমিন ,মনপুরা(ভোলা)নিজস্ব প্রতিনিধি
ভোলার মনপুরা উপজেলায় সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের উদ্যোগে বর্ণাঢ্য গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকাল ১০টায় দক্ষিণ সাকুচিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হল রুমে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। বীমা সেবা, আর্থিক নিরাপত্তা এবং গ্রাহকদের উপকারিতা নিয়ে সচেতনতামূলক এই অনুষ্ঠানকে ঘিরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
গ্রাহক সমাবেশের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন ইউনিট ম্যানেজার জিহাদুল ইসলাম। পুরো অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করেন সঞ্চালক মহিবুল্লাহ ইলিয়াছ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) তমজিদুল আলম।
বিশেষ অতিথি ছিলেন শাখা ব্যবস্থাপক কাঞ্চন দে।
এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ সাকুচিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জামাল উদ্দিন, মনপুরা শাখার অফিস–কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা–কর্মচারী।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কয়েকজন গ্রাহকও নিজেদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। তারা সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সেবায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করে কোম্পানির আরও উন্নতি কামনা করেন।
প্রধান অতিথি তমজিদুল আলম তার বক্তব্যে বলেন, “মানুষের জীবনে অনিশ্চয়তা দূর করতে বীমার ভূমিকা অপরিসীম। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত একজন মানুষ ও তার পরিবারের ভবিষ্যৎ নিরাপদ করতে পারে।”
তিনি ইসলামী শরীয়াহ অনুযায়ী সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বীমা কার্যক্রম, গ্রাহক সেবার বিভিন্ন দিক, স্মার্ট বীমা অ্যাপ ব্যবহারের সুবিধা, মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক চ্যানেলের মাধ্যমে প্রিমিয়াম গ্রহণের সহজ পদ্ধতি এবং নির্ধারিত সময়ে দাবি পরিশোধের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সরকার বীমা খাতকে আধুনিকায়নে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা আগামীর বীমা বিপ্লবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
অভিমত বক্ত করতে গিয়ে মৃত মাহে আলমের স্ত্রী আবেগাপ্লুত হয়ে পরে তিনি বলেন আমার স্বামী মৃত্যুর আগে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে একটি বীমা করে ১ হাজার টাকা দিয়ে মারা যাওয়ার পর কোম্পানি আমাকে ৬০ হাজার টাকা মৃত্যু দাবীর চেক দেয় কোন ঝামেলা ছাড়া। এ টাকা পেয়ে আমি খুবই খুশি আমি যেন সব হারিয়ে আশার আলো খুঁজে পায়েছি। সোনালী লাইফ ইন্সুরেন্স এর পরিবারকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পাশে দাঁড়ানোর জন্য।
অন্যান্য বক্তারাও বীমা কেন প্রয়োজন, কীভাবে বীমা একজন মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, এবং পরিবারকে সুরক্ষা দেয়—এসব বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দেন। তারা বলেন, সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স গ্রাহকদের আস্থার জায়গায় দাঁড়িয়ে সেবা প্রদান করছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।
অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে অতিথিরা উপস্থিত গ্রাহকদের মাঝে গিফট সামগ্রী বিতরণ করেন। এতে উপস্থিতদের মাঝে আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সুধীজন, গ্রাহক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গণ্যমান্য ব্যক্তিসহ বেশ সংখ্যক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশ শেষে অতিথি ও কর্মকর্তারা গ্রাহকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতের সেবা উন্নয়ন বিষয়ে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

