
মোঃ জাকির হোসেন, বেনাপোল (শার্শা) প্রতিনিধিঃ
ভূয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে অপহরণ মামলার রহস্য উদঘাটন, আলামত উদ্ধার সহ ৭ আসামীকে গ্রেফতার করেছে ডিবি।
বুধবার (২০ মার্চ) রাত পর্যন্ত যশোর জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো, হারুন অর রশিদ (৩৩), পিতা আবুল কাশেম, সাং তেঘুরিহুদা গাজীর বাজার, থানা কালিগঞ্জ, জেলা ঝিনাইদহ, পিয়াস হাসান (২৪), পিতা সেকেন্দার আলী, সাং টেংরালী মাঝেরপাড়া, থানা শার্শা,
ইসতিয়াক আহম্মেদ (২৪), পিতা মৃত হোসেন মোহাম্মদ গফফার, সাং জগদিসপুর, থানা চৌগাছা, রাশেদ হাওলাদার (২৮), পিতা হানিফ, সাং খরকি বর্মনপাড়া, থানা কোতয়ালী,
সোহেল আহম্মেদ বাবু (৩২), পিতা মৃত আব্দুল মতলেব, সাং নাভারন রেলবাজার, থানা শার্শা, উজ্জল হোসেন (৩০), পিতা আবুল কাশেম, সাংগোগা গাজীপাড়া, থানা শার্শা ও
হাফিজুর রহমান (৩২), পিতা নুরুল আমিন, সাং রাজগঞ্জ পুটখালী, বর্তমান ঠিকানা বেনাপোল ৩নং ওয়ার্ড থানা বেনাপোল পোর্ট, সর্ব জেলা যশোর।
ডিবি জানায়, জেলার পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, বিপিএম (বার), পিপিএম এর দিক নির্দেশনায় ডিবির ওসি রুপন কুমার সরকার, পিপিএম (বার) এর তত্ত্বাবধানে ডিবির এলআইসি টিম জেলায় সংঘটিত বিভিন্ন চুরি, ডাকাতি, অপহরণ, হত্যার রহস্য উদঘাটনসহ অবৈধ অস্ত্রগুলি উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে।
তারই ধারাবাহিকতায় গত ইংরেজি ১৬/৩/২৪ তারিখ অপহৃত ভিকটিম সোহাগ হোসেন ও হাবিবুর রহমানদ্বয় সবজি বিক্রি করে নগদ ৪,৫০,০০০ টাকাসহ ঢাকা হতে বাসযোগে যশোর আসার পথে কোতয়ালী মডেল থানার চাচড়া সাকিনস্থ জনৈক তরিকুল ইসলাম শাহিনের ২য় তলা ভবনের সামনে যশোর টু বেনাপোল গামী মহাসড়কের উপর আসামাত্র পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অজ্ঞাতনামা অপহরণকারীগণ ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে অপহৃত দুজনকে বাস হতে নামিয়ে প্রাইভেটকারে উঠিয়ে নিয়ে নগদ টাকা রেখে কেশবপুর থানা এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
পরে, ভিকটিমদের অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখা যশোরের টিম ঘটনাস্থলের সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে আসামীদের সনাক্ত করেন। ভিকটিমদের সহ অভিযান পরিচালনা করিয়া ২০/৩/২৪ তারিখ যশোর জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া ঘটনায় জড়িত অপহরণকারী চক্রের ৭ সদস্যকে গ্রেফতার করে। এবং তাদের দখল হতে চাঁদা আদায়ের নগদ ২,৫০,০০০ টাকা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করে। আসামীরা সংঘবদ্ধ অপহরনকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য, তারা দীর্ঘদিন যাবত এই পেশায় জড়িত মর্মে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেন। আসামীরা ইতোপূর্বে অন্য কোন ঘটনা সংঘটিত করেছে কিনা তদন্ত করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানার মামলা নং ৭৮, তাং ২১/৩/২৩ রুজু হয়েছে। মামলাটি জেলা গোয়েন্দা শাখা যশোরের এসআই আব্দুল্লাহ আল মামুন তদন্ত করছেন।

