
সাজেদুল ইসলাম রাসেল ।। বগুড়া সদর(বগুড়া)নিজস্ব প্রতিনিধি
বগুড়া দুপচাঁচিয়ায় উম্মে সালমা খাতুন হত্যার রহস্য উদঘাটন তার ছোটো ছেলে গ্রেফতার। বগুড়া দুপচাঁচিয়া উপজেলায় জয়পুরপাড়া এলাকায় মোছাঃ সালমা খাতুন (৫০) নামে এক গৃহবধুর রহস্যজনক মৃত্যতে তার স্বামী আজিজুর রহমান বাদী হয়ে দুপচাঁচিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন উক্ত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ডাকাতি সংঘটিত হতে পারে বলে এলাকায় ধুম্যজাল সৃষ্টি করে
এই ঘটনা পর থেকে র্যাব-১২, বগুড়া দ্রুত রহস্য উদঘাটন ও ঘটনার সাথে জড়িত আসামী গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে অভিযান পরিচালনা করে। এই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১২, বগুড়া এর একটি আভিযানিক দল অদ্য ইং ১২ নভেম্বর ২০২৪ তারিখ রাত ০০.১০ ঘটিকার সময় হত্যাকারী সন্দেহে মোছাঃ সালমা খাতুনের ছোট ছেলে মোঃ সাদ বিন আজিজুর রহমান(১৯), পিতা-আজিজুরকে বগুড়া কাহালু থানার পাঁচপীর আড়োবাড়ী এলাকায় মোঃ রমজান মোল্লা (আসামীর দাদা) এর বাড়ি হতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয়। পরবর্তী তাকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উম্মে সালমা খাতুন(৫০) এর সাথে তার ছোটো ছেলে মোঃ সাদ বিন আজিজুর রহমানের হাত খরচের টাকা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন বিবাদ চলে আসছিলো এরই সূত্র ধরে গত ১০ নভেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ তার মায়ের কাছে থেকে হাত খরচের টাকা চাইলে টাকা না পেয়ে সে তার মাদ্রাসার উদ্দেশ্য চলে যায় মাদ্রসায় সকাল ১১.০০ ঘটিকায় ক্লাসের বিরতি হলে মাদ্রাসার আশপাশ এবং তার বাসার কাছাকাছি এলাকায় ঘুরে বেড়ায় এবং অনুমান ১২.৩০ ঘটিকার সময় আসামী বাসায় প্রবেশ করে দেখতে পান যে, তার মা উম্মে সালমা খাতুন(৫০) বাসায় বসে একা বটি দিয়ে মিষ্টি কুমড়ার তরকারি কাটাকাটি করছিলো। এমতাবস্থায়, আসামী পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী তার মায়ের পিছন দিক থেকে নাক-মুখ চেপে ধরে ধস্তাধস্তি শুরু করে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তার মা বাঁচার জন্য চেষ্টা করতে থাকলে ভিকটিমের হাতের তর্জনী আঙ্গুলের নীচে তরকারি কাটার বটি লেগে হালকা কেটে যায়। পরে আসামী তার সর্বশক্তি প্রয়োগ করে ভিকটিমের নাক-মুখ দুই হাত দিয়ে চেপে ধরে ভিকটিমের শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ করে হত্যা নিশ্চিত করে।

