
মো: নাসিরুল ইসলাম, ফুলতলা(খুলনা)বিশেষ প্রতিনিধি:
বেজেরডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রা বিরতি কার্যকর করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থনীয় জনগন।বেজেরডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশন, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকার সঙ্গে সংযুক্ত, দীর্ঘদিন ধরে রেলপথে যাতায়াতকারী মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে, এই স্টেশনে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনের যাত্রা বিরতি না থাকায় স্থানীয় জনগণকে প্রতিদিন নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। ফলে, বেজেরডাঙ্গা ও আশপাশের মানুষের পক্ষে সময়মতো গন্তব্যে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে।যে ট্রেনগুলোর স্টপেজ প্রয়োজন:
বেতনা (বেনাপোল)-৫৩ আপ:
এই ট্রেনটি বেনাপোলগামী যাত্রীদের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। স্টপেজ না থাকায় বেজেরডাঙ্গা এলাকার মানুষদের নিকটবর্তী স্টেশন পর্যন্ত গিয়ে ট্রেন ধরতে হয়, যা সময়সাপেক্ষ এবং কষ্টসাধ্য।
বেতনা (বেনাপোল)-৫৪ ডাউন:
এই ট্রেনটি ফেরার পথে যাত্রীদের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। বেজেরডাঙ্গায় স্টপেজ না থাকায় যাত্রীরা গন্তব্যে পৌঁছাতে বাড়তি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
রকেট-২৩ আপ:
একটি জনপ্রিয় ট্রেন যা বিভিন্ন স্তরের মানুষের যাতায়াতে ব্যবহৃত হয়। এই ট্রেনের স্টপেজ বেজেরডাঙ্গা স্টেশনে নিশ্চিত করা হলে অনেকেরই যাতায়াতের সমস্যা সহজ হবে।
এই স্টেশনের যাত্রীরা স্টপেজের অভাবে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে যাতায়াত করছেন। বিশেষ করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, বৃদ্ধ এবং রোগীরা চরমভাবে ভুগছেন। স্টপেজ না থাকায় তাদের অনেক দূর গিয়ে ট্রেন ধরতে হচ্ছে, যা অতিরিক্ত সময়, অর্থ এবং শ্রম ব্যয়ের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যদি উল্লিখিত ট্রেনগুলোর যাত্রা বিরতি কার্যকর করা হয়, তাহলে বেজেরডাঙ্গা এলাকার হাজার হাজার যাত্রী উপকৃত হবেন এবং তাদের যাতায়াত আরও সহজ ও নিরাপদ হবে। তাই এই বহুমূখী দূর্ভোগের জন্য স্থানীয় মানুষদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনগুলো এই ইস্যুতে একত্রিত হয়ে আন্দোলনের হুমকিও দিয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে স্লোগানও তোলা হয়েছে “স্টপেজ দিতে হবে, দিতেই হবে”। দাবি তাদের একটাই
বেজেরডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনে স্টপেজ দিতে হবে।
স্থানীয় জনগনের রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি যে, মানুষের যাতায়াতের সুবিধা ও জীবনমানের উন্নতির স্বার্থে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই তিনটি ট্রেনের বেজেরডাঙ্গা রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রা বিরতি কার্যকর করা হোক। এটি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের ন্যায্য দাবি এবং বাস্তবায়িত হলে জনস্বার্থে বড় ধরনের সুবিধা বয়ে আনবে বলে স্থানীয় জনগন মনে করেন।

