
নাইম আহমদ, জৈন্তাপুর(সিলেট)নিজস্ব প্রতিনিধি
সিলেটের সীমান্তবর্তী গোয়াইনঘাট উপজেলায় কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণ এবং ভারতের চেরাপুঞ্জি ও মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের ফলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। নদ-নদীর পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করায় স্থানীয় জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।
গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রবিবার সকাল পর্যন্ত একটানা ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাত হয়। এর ফলে পিয়াইন, সারি ও গোয়াইন নদীর পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পায়, যা উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাওর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত করে। তবে নদ-নদীগুলোর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
জানা গেছে, জাফলং জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন ডাউকি নদীর পানি এখনও বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে। এছাড়া টানা বৃষ্টির কারণে গোয়াইনঘাট-রাধানগর সড়কের কিছু অংশে পানি উঠে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হলেও বর্তমানে তা স্বাভাবিক রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, রবিবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত কমে আসায় এবং নদ-নদীর পানি দ্রুত নামতে থাকায় আশার আলো দেখা যাচ্ছে।
এ বিষয়ে গোয়াইনঘাটের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। আগেই মানুষকে সতর্ক করা হয়েছিল। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৫৮টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে।
তিনি আরও জানান, উদ্ধার কাজের জন্য নৌকা ও স্বেচ্ছাসেবক দল প্রস্তুত রয়েছে, যাতে প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা প্রদান করা যায়। এছাড়া আমাদের ফতেপুরের পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষজনকে ভূমিধ্বস থেকে রক্ষায় মাইকিং করে সতর্ক করা হয়েছে

