বাড়িবরিশাল বিভাগঝালকাঠি জেলানলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেের অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেের অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন

বিন-ই-আমিন,নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝালকাঠি।। 
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘদিন ধরে চলমান অনিয়ম, দুর্নীতি এবং চিকিৎসা সেবার বেহাল অবস্থার প্রতিবাদে  এক মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন,২০২৫) সকালে এ উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার লোকজনের অংশগ্রহণে মানববন্ধন করা হয়।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করে বলেন,  হাসপাতালটিতে রোগীদের সঙ্গে স্টাফদের অসদাচরণ, সরকারি ঔষধ না দেওয়া, নিম্নমানের খাবার সরবরাহ, এবং জরুরি চিকিৎসা সেবার অপ্রতুলতা এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
 মানববন্ধন থেকে সম্প্রতি গোপনে ও অবৈধভাবে নিয়োগকৃত টিকাদানকর্মীদের বিরুদ্ধেও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও নিয়মনীতি উপেক্ষা করে অযোগ্য ও প্রশিক্ষণহীন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।  টিকাদান কর্মী নিয়োগে সরাসরি ইপিআই ইন্সট্রাকটর অঞ্জনা  রানীর জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে এসেছে। যা প্রধান সহকারী মিজানুর রহমান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার (২৪ জুন) সকাল ১০ টায় নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে ঘন্টা ব্যাপী এ মানববন্ধন করেন উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ।
এতে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক, আজমল হোসেন, মায়েল হোসেন, তরুণ সমাজসেবক বালী তাইফুর রহমান তূর্য প্রমুখ।
বহু বছর ধরে একই স্থানে কর্মরত উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (THO) শিউলী পারভীন, প্রধান সহকারী মিজানুর রহমান, ইপিআই ইনেসট্রাক্টর সহ অন্যান্য স্বেচ্ছাচারী ও অসৎ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপসারণ, স্বাস্থ্যসেবায় জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা,রোগীদের জন্য বরাদ্দ সরকারি ওষুধ যথাযথভাবে সরবরাহ নিশ্চিত করা,হাসপাতালের খাবারের মান উন্নয়ন ও রাত্রিকালীন চিকিৎসা সেবা সহজলভ্য করা।
সবার দাবি, অবিলম্বে এসব অনিয়ম বন্ধ করে জনস্বার্থে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং অপারেশন থিয়েটার চালু করা দাবি জানানো হয়। 
এছাড়াও অতিদ্রুত মেডিকেল অফিসার নিয়োগ দেয়া। এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম সহ অন্যান্য পরীক্ষা সমুহ নিয়মিত চালু রাখা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত টিএইচও  ডা.শিউলী পারভীনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা চেষ্টা করেও কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
জেলা সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ুন কবির বলেন,এ বিষয়ে আমরা অবগত আছি। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হবে।
বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ শ্যামল কৃষ্ণ মন্ডল বলেন,তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments