
রবি মিয়া , ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ)নিজস্ব প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জ জেলা ধর্মপাশা উপজেলা ২ নং সেলবরষ ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত কালিজানা ব্রিজ, এক সময় এই জায়গা ছিল বিস্তির্ণ মাঠ।আর সেই মাঠের বুকে ছিলো সবুজ ঘাস। সেই সবুজ ঘাস আর মাঠের বুক চিঁড়ে হাজারো মানুষের পদচারণায় ধর্মপাশা উপজেলার সাথে তৈরি হয়েছিল এক কোনা কোনি রাস্তা।
সেই সময় এই কোনাকুনি রাস্তাটি ব্যবহার করত নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা উপজেলা ও ধর্মপাশা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। দুই উপজেলার হাজারো মানুষের চলাচলে, মির্জাপুর, বাহির কান্দা, গাবি কালিজানা ব্রিজ সহ সিংপুর পর্যন্ত দীর্ঘ এই কোনাকুনি রাস্তাটি ধর্ম পাশা উপজেলা কে যেমন করে প্রচার ও প্রসার করেছিল, তেমন করে আর্থিক ও ব্যবসা বাণিজ্যিক দিক থেকেও হয়েছিল চাঙ্গা।উপজেলার সংশ্লিষ্ট গ্রাম গুলির মানুষের সাথে সুসম্পর্কও তৈরি হয়েছিল।
এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৩০ বছর আগে মির্জাপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ও মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত আবুল হোসেন, সেই সময় সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রতিষ্ঠিত হয়ে, মানুষের সুযোগ সুবিধার কথা চিন্তা করে, তার অক্লান্ত পরিশ্রমে,
সিংপুর বড় মসজিদ থেকে কালীজানা ব্রিজ সহ গাবি বর্তমান গ্যাসফিল্ড পর্যন্ত মাটির রাস্তা তৈরি করেছিলেন। তবে গাবি গ্যাসফিল্ড থেকে বাহিরকান্দা পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার রাস্তা অসমাপ্তই থেকে যায়।
২০২১ সালে একটি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে, মাটির রাস্তাটি পাকা রাস্তায় উন্নয়ন হলেও কালিজানা ব্রিজের কাজ। থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। ফলে রাস্তার উন্নয়ন হলেও মানুষের চলাচলের উন্নয়ন হয়নি বিন্দুমাত্র।
যার ফলে উপজেলার সাথে হাজারো মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার বিঘ্ন ঘটছে আর বঞ্চিত হচ্ছে উপজেলার আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ব্যবস্থা থেকেও।
এলাকাবাসী ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা বলছেন, কালিজানা ব্রীজসহ কোনাকুনি রাস্তাটি যান চলাচলের উপযোগী হলে ধর্মপাশা উপজেলা উন্নয়নের দিক থেকে আরো এক ধাপ এগিয়ে যাবে এমনটিই বলছেন তারা।
উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন বলেন,এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তা এটির যাবতীয় কাজ প্রক্রিয়া দিন আছে।

