বাড়িবাংলাদেশেসিলেট বিভাগধর্মপাশায়,বয়স্ক  ভাতা ও বিজিডি কার্ড নিয়ে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ শাখাওয়াত মেম্বারের বিরুদ্ধে,...

ধর্মপাশায়,বয়স্ক  ভাতা ও বিজিডি কার্ড নিয়ে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ শাখাওয়াত মেম্বারের বিরুদ্ধে, তদন্তের দাবি স্থানীয়দের

রবি মিয়া , ধর্মপাশা(সুনামগঞ্জ)নিজস্ব প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জ জেলা ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) শাখাওয়াত হোসেনের বিরুদ্ধে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা এবং (ভিজিডি) কার্ড বিতরণের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, সরকারি এই সুবিধাগুলো পাওয়ার জন্য প্রত্যাশীদের কাছ থেকে শাখাওয়াত মেম্বার মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন।

ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে, তালিকাভুক্ত হওয়ার জন্য জনপ্রতি ৪ হাজার টাকা থেকে শুরু করে কখনো কখনো ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হয়। কেউ টাকা না দিলে তার নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় না। অভিযোগ রয়েছে, শাখাওয়াত মেম্বার অনেক সময় আগেভাগেই টাকা চেয়ে বসেন এবং তা না দিলে কার্ড বা ভাতা অনুমোদনে বাধা সৃষ্টি করেন।

স্থানীয় এক বৃদ্ধা জানান, “সরকার তো আমাদের সাহায্য করতে চায়, কিন্তু আমাদের এই মেম্বার টাকা ছাড়া কোনো কিছুই দেয় না। আমি নিজে ২ হাজার  টাকা দিয়ে বয়স্ক ভাতার কার্ড বাবদ দিয়েছি, ৩ বছর হয়েছে এখনো হয়নি, 

এছাড়াও জানা গেছে, সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়নের সময় দলীয় সমর্থন ও ব্যক্তিগত পছন্দকে গুরুত্ব দিয়ে প্রকৃত দরিদ্রদের বাদ দেয়া হয়। এ কারণে অনেক গরিব, বয়স্ক ও বিধবা নারী বছরের পর বছর সরকারি সহায়তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়নের অন্যান্য নেতাকর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ দেখা গেছে। তারা বলছেন, স্থানীয় প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন দুর্নীতি চললেও এখনো কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। অনেকে আশঙ্কা করছেন, 

স্থানীয় সচেতন মহল ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, “সরকারি সহায়তা কারো দয়ার বস্তু নয়। এটা জনগণের অধিকার। কোনো জনপ্রতিনিধি যদি এই সহায়তা নিয়ে দুর্নীতি করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া উচিত।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাখাওয়াত মেম্বার বলেন, আমি কোনো অনিয়ম করিনি। আমাদের অফিস মেনটেন করতে হয়,  তবে তিনি কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি, কেন এত মানুষ তার বিরুদ্ধে একই ধরনের অভিযোগ তুলছেন।

সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম ফরিদ খোকা বলেন,আমি এসব কাজকে ঘৃণা করি,মানুষ কেন প্রতারিত হয়, এ ব্যাপারে সবাইকে আমি সচেতন করেছি, কেউ যেন এসব কাজ না করে, 

এ বিষয়ে ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনিরায়ের কাছে জানতে চাইলে, তিনি বলেন,চেয়ারম্যান সাহেবকে বলেন, পরে আমি বিষয়টা দেখছি,

RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments