
কসবা নিজস্ব প্রতিনিধি মোঃ আশরাফ উজ্জ্বলের তথ্য চিত্রে বিস্তারিত
আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া: বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী নদী তিতাস আজ চরম সংকটের মুখে। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলা থেwকে নির্গত বর্জ্য পা. Fনি সরাসরি এই নদীতে এসে মিশে মারাত্মক পরিবেশ দূষণের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, জলজ জীববৈচিত্র্য ও স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রা আজ হুমকির মুখে।
দীর্ঘদিনের এই দূষণের ফলে তিতাস নদীর পানি অক্সিজেনশূন্য হয়ে মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী ও উদ্ভিদ বিলুপ্তির পথে। ফলে নদীপারের হাজারো পরিবার—যারা এই নদীর ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করতেন—তারা আজ চরম দুর্দশায়।
আঞ্চলিক জীববৈচিত্র্যের করুণ চিত্র
স্থানীয় জেলেরা জানিয়েছেন, নদীতে এখন আর আগের মতো মাছ নেই। মাছের ডিম পাড়ার উপযোগী পরিবেশও ধ্বংস হয়ে গেছে। অনেক প্রজাতি পুরোপুরি হারিয়ে গেছে, যা পুরো অঞ্চলের জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য নষ্ট করছে।
এই সংকটময় পরিস্থিতিতে প্রতিবাদে মুখর হয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার বিএনপি নেতা আলহাজ্ব কবির আহমেদ ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন,
“তিতাস নদী আমাদের প্রাণের অংশ। এই নদীর ওপর দিয়ে এমন বর্জ্য ঢুকতে থাকলে শুধু নদী নয়, আমাদের জীবন, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি—সবকিছু ধ্বংস হয়ে যাবে। এই বিষয়ে সরকারকে অবিলম্বে কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, প্রশাসনের নীরবতা দূষণের দায় এড়াতে পারে না। তিতাস বাঁচাতে এখনই জনসম্পৃক্ত আন্দোলনের প্রয়োজন।
তিতাস নদী শুধু একটি জলধারা নয়, এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও জীবনধারার প্রতিচ্ছবি। সময় থাকতে পদক্ষেপ না নিলে এই নদী হারিয়ে যাবে ইতিহাসের গহ্বরে। এখনই সময় তিতাস রক্ষায় সম্মিলিত কণ্ঠস্বর তোলার।

