
জুয়েল মিয়া ,ঝিনাইগাতী(শেরপুর) নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
বিগত ২০২৪ সালের ৫ই আগস্টের পর থেকে শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে সরকারের পক্ষ থেকে পাহাড়ি বালু উত্তোলন অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়।এদিকে একটি মহল প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে রাতের অন্ধকারে বালু উত্তোলন এবং সরবরাহের রমরমা ব্যাবসা করেই যাচ্ছে। গতকাল রাত দশটার সময় ঝিনাইগাতী উপজেলা শহর হয়ে ট্রলিতে করে মহারশ্মী নদীর বালু লোড করে ওপরে জামালপুরের সাদা বালু ছিটিয়ে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিচ্ছে। এমনভাবে সাদা বালু উপরিভাগে ছেটানো!যা দেখে বোঝার উপায় নেই। এটা দেখে মনেই হচ্ছিল এ,যেন কাকের বাসায় কোকিলের ডিম!এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং অনিন্দীতা রানী ভৌমিক (সহকারী কমিশনার ভূমি) এর সাহসী নেতৃত্বে বছর জুড়ে চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন এর বিরুদ্ধে অভিযান।(সহকারী কমিশনার ভূমি) সুদক্ষ অভিযান চালিয়ে এপর্যন্ত প্রায় শতাধিক বালু উত্তোলনের মেশিন ভেঙে দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করার চেষ্টা করেন । যার ফলে ট্রাক, মিনি ট্রাক,ট্যাংকলড়ী ও কভার ভ্যান করে বালু পাচার বন্ধ থাকলেও এখন ব্যাবসা চলছে ছোট ভ্যান গাড়ি এবং ট্রলিতে করে। এপর্যন্ত ৫০ জনকে জেল-জরিমানাসহ শাস্তি দেওয়ার পরেও এখন চোরাকারবারি চক্র কাকের বাসায় কোকিলের ডিম পাড়া শুরু করেছে। ঝিনাইগাতীর সচেতন মহল মনে করছে প্রশাসনের ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকলেই বন্ধ হতে পারে অবৈধ বালু উত্তোলন। তাই অবৈধ বালু কারবারির এনালগ থেকে হঠাৎ এমন(ছবিতে) ডিজিটাল বালু পাচার রোধ করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

