
ফারুক আহমেদ,জামালপুর সদর নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
সরিষাবাড়ী উপজেলার,সানাকইর গ্রাম সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে (ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স) এর নামে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স এর (এ.এম.ডি) খাইরুল আলম ওরফে কালুর বিরুদ্ধে।
জানা যায়, অভিযুক্ত খাইরুল আলম (কালু) ৫ বছর আগে, দিগপাইত বাজারে ভাড়াকৃত রুমে কয়েকটি চেয়ার এবং টেবিল বসিয়ে (ট্রাস্ট ইসলামী লাইফ ইন্সুরেন্স) এর অফিস বানায়। অতঃপর বিভিন্ন এলাকার সাধারণ মানুষদেরকে আশা আকাঙ্ক্ষা দিয়ে বীমা করিয়ে নেয় এবং দফায় দফায় মাসভিত্তিক, বৎসরভিত্তিক টাকা নেয়।এর বিনিময়ে তাদের হাতে ধরিয়ে দেয় ভুয়া রিসিভ। এরই ধারাবাহিকতায় কয়েকজন গ্রাহকদের পলিসির মেয়াদ শেষ হলে,গ্রাহকরা খোঁজ নিয়ে দেখে তাদের শাখা অফিস তো দূরের কথা, হেড অফিসও নেই। এক পর্যায়ে কোম্পানির এসিস্ট্যান্ট ম্যানেজিং ডিরেক্টর খাইরুল আলমের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করলে সুফল তো মিলছিলই না বরং বিভিন্ন তালবাহানা করে যাচ্ছিল।
এলাকা সূত্রে জানা যায়, খাইরুল আলম (কালু) উচ্চ গ্রামের সামাদ মন্ডলের ছেলে। খাইরুল আলম মহাদান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক সম্পাদক হাওয়ায়, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর তার নিজ এলাকা ছেড়ে শশুর বাড়িতে অবস্থান করছে।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগীরা তার শ্বশুর বাড়িতে গেলে তাদেরকে কোন প্রকার আশ্বাস না দিয়ে তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করে। এবং বলে (আমি তোমাদের থেকে টাকা নেই নাই)টাকা নিছে মাঠকর্মী মঞ্জু অতঃপর গ্রাহকরা কোম্পানির প্রতিনিধি মঞ্জুর কাছে গেলে কাছে গেলে সে বলে (টাকা জমা দিয়ে দিছি এএমডি স্যারের কাছে) এভাবেই ঘুরপাক খেয়ে যাচ্ছিল ভুক্তভোগীগন।
এরই ফলশ্রুতিতে ২৫ শে জুলাই শুক্রবার ভুক্তভোগীগণ তার শ্বশুরবাড়িতে সাক্ষাৎ করতে গেলে তাদেরকে, অকাট্য ভাষায় গালিগালাজ করে,ও হুমকি দেয়। পরবর্তীতে খবর পেয়ে মানবাধিকার কর্মী ও গণমাধ্যম কর্মীগন সেখানে গেলে তাদের সাথেও খারাপ ব্যবহার করে এবং সে বলে আমি নিজেয় বড় সাংবাদিক। আমার কি করতে পারেন দেখি।
তথ্যসূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্টের পর সে বিপুল অর্থের বিনিময়ে (আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সাংবাদিক সংস্থা) জামালপুর জেলা শাখার পদ-পদবি নেয়।
ভুক্তভোগীগন স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টগনদের প্রতি দাবি তাদের ঘাম ঝরানো টাকা যেন অতি শীঘ্রই ফেরত পায়। এবং এইসব অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানায়।

