
মোঃ শাহ আলম চৌধুরী, বিশেষ প্রতিনিধি
সরজমিন দেখা যায় দীর্ঘ দুই/এক বছর ধরে ডাক্তারবিহীন চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। খবর নিয়ে জানা যায় টিএইচও হাসপাতাল ও চালিয়ে যাচ্ছেন ও প্রশাসনিক আন্য কাজ করে থাকেন। আমি নিজের চিকিৎসা নিতে গিয়ে খবর নিয়ে জানা যায় একজন ডাক্তার আসেনত ১/২সপ্তাহ পরে আর তিনি নাই। বর্তমানে একজন দাঁতের ডাক্তার আছেন উনাকেও ঠিক মত পাওয়া যায় না। এইভাবে কি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চলে? যেখানে জুরুরি বিভাগ, প্রসুতি বিভাগ, বর্হির বিভাগ কয়েকজন টেকনিক্যাল মানুষকে দিয়ে চলে। প্রতিদিন বর্হির বিভাগ ৪০০থেকে ৫০০ নারী পুরুষ ও শিশু চিকিৎসা সেবার জন্য আসেন। এতে জনগন কতটুকু যুক্তিসম্মত সেবা পাচ্ছে। গত ৬/৭ মাস আগে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় একটি সংবাদ আমার নজরে আসে মনে হল এখন কিছু একটা হবে। কিন্তু না কিছুই হয়নি। বিগত ২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া এই হাসপাতাল টিকে ৩১ শয্যা থেকে উন্নত করে ৫০ শয্যা করা হয়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় নেহাৎ গরীব চাড়া কেউবা ভর্ত্তি হবে। ভর্ত্তি হলে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছে। এর মাধ্যমে আমাদের স্বাস্থ্য উপদেষ্টা দৃষ্টি আকর্ষণ করিতেছি কুলাউড়া উপজেলার জনগণের জন্য হলেও কিছু করার অনুরোধ করছি।

