বাড়িচট্টগ্রাম বিভাগখাগড়াছড়ি জেলাখাগড়াছড়ির গুইমারায় সেনাবাহিনীর উপর হামলার পর নিজেদের ঘরে আগুন দিচ্ছে উপজাতি সন্ত্রাসীরা

খাগড়াছড়ির গুইমারায় সেনাবাহিনীর উপর হামলার পর নিজেদের ঘরে আগুন দিচ্ছে উপজাতি সন্ত্রাসীরা

মোঃ মোবারক হোসেন:দীঘিনালা(খাগড়াছড়ি)নিজস্ব প্রতিনিধি:
খাগড়াছড়ি জেলার গুইমারা উপজেলায় সেনাবাহিনীর উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে নতুন কৌশলে নেমেছে উপজাতি সন্ত্রাসীরা ।
স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হামলার পরপরই সন্ত্রাসীরা নিজেদের ঘরবাড়ি ও দোকানে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগাচ্ছে এবং নিজেদের গায়ে রঙ মেখে বিভিন্নভাবে ফটো সেশন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে ।
এর উদ্দেশ্য একদিকে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি করা, অন্যদিকে সরকারের কাছ থেকে নতুন ঘর ও সুযোগ-সুবিধা আদায়ের লোভে ঘটনাকে কাজে লাগানো ।
লংগদুর ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটানোর চেষ্টা যেন আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠছে , তখনও নিজেদের ঘরে নিজেরাই আগুন দিয়ে সেটিকে বাহ্যিক আক্রমণ হিসেবে চালিয়ে নতুন ঘর-বাড়ি পেয়েছিল কিছু পরিবার, এবারও একই প্রক্রিয়ায় সরকারকে প্রতারিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে সন্ত্রাসীরা ।
নিরাপত্তা বাহিনীর একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, সেনাবাহিনীর উপর হামলার পরবর্তী সময়ে যে আগুনের ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে কোনো বাঙ্গালীর সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি ।
১৪৪ ধারা ভেঙ্গে উপজাতি সন্ত্রাসীরা সেনাবাহিনির উপর হামলা করেছে , থমথমে পরিস্থিতিতে বাঙালিরা নিজেদের ঘরে অবস্থান নিয়েছেন, বরং তদন্তে দেখা যাচ্ছে, নিজেদের ভেতরের সমন্বিত পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সন্ত্রাসীরাই এ আগুন লাগিয়েছে ।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা নিজেদের স্বার্থে নিজেদের ঘরে আগুন লাগায়, তারা জনগণের শান্তি বা উন্নয়ন চায় না, তারা শুধু দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে এবং বিভ্রান্তি তৈরি করছে ।
আন্তর্জাতিক মহলকে বিভ্রান্ত করে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জনের জন্যই এই আগুনের নাটক সাজানো হচ্ছে এবং প্রশাসন দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে যাতে কেউ এ ধরনের প্রতারণা করে লাভবান না হতে পারে ।
উপজাতি এক স্কুল ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন দাবী তুলা হচ্ছে, যে দাবি গুলো ধর্ষনের ঘটনার সাথে সম্পুর্ণ ভিন্ন, কেউ কেউ বলছেন, বর্তমান সরকার কে বেকায়দায় ফেলতে পার্বত্য চট্রগ্রাম কে বেছে নিয়েছে ফ্যাসিবাদের চক্রটি, যেখানে পাহাড়ের সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করছে এবং সাধারণ উপজাতিদের আন্দোলনে উপস্থিত করতে জোড় করা হচ্ছে ।
যেখানে ধর্ষক ৩ জন উপজাতি ও দুইজন হিন্দু সম্প্রদায়ের ও গ্রেফতারও করা হয়েছে, সেখানে পাহাড়কে অস্থিতিশিল করে সেনাবাহিনি হটাও, বাঙালী হটাও এবং নিজেদের আধিবাসী দাবি নিয়ে আন্দোলন করাটা ভিত্তিহীন ।
গুইমারায় এ ঘটনার পর এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে । সেনা ও পুলিশ যৌথভাবে পাহাড়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তৎপর রয়েছে ।
RELATED ARTICLES

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

- Advertisment -

Most Popular

Recent Comments