প্রিন্ট এর তারিখঃ অক্টোবর ৭, ২০২৬, ৪:৪১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ১, ২০২৫, ১১:৫১ পি.এম
বাউফলে পরকিয়া সন্দেহে স্ত্রীকে হত্যা

মো. ফোরকান, বাউফল, পটুয়াখালী
পটুয়াখালীর বাউফলে পরকিয়া সন্দেহে স্ত্রীর গলা কেটে হত্যার পর থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন স্বামী মো. সরোয়ার হোসেন (৪০)।
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে চার বছরের একটি ছেলে সন্তান সাথে নিয়ে থানায় এসে স্বেচ্ছায় খুনের কথা স্বীকার করেন স্বামী।
শুক্রবার সকালে স্বামীর স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।স্ত্রী সালমা আক্তার (৩২) পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার ধাওয়া গ্রামের মৃত রুস্তুম আলীর মেয়ে।
তিনি বাউফল উপজেলার নুরাইনপুর নেছারিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার বাংলা বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। সরোয়ার হোসেন একই উপজেলার নদমুলা গ্রামের মৃত মোকসেদ আলীর ছেলে এবং বাউফলে ব্যবসা করতেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, মাদ্রাসায় চাকরির সুবাদে স্বামী এবং স্ত্রী একমাত্র সন্তান নিয়ে উপজেলার চন্দ্রপাড়া গ্রামের মো. জসিম উদ্দিন বেপারীর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে স্ত্রীর পরকীয়া সন্দেহে কলহ চলে আসছিলো।
বুধবার (৩০ জুলাই) বিকালে ওই কলহের জেরে স্বামী ঘরে থাকা দা দিয়ে স্ত্রীর ঘাড়ে কোপ দেন। ঘটনাস্থলেই মারা যান স্ত্রী সালমা।
এঘটনার পর ঘরের দরজা বন্ধ করে ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে বৃহস্পতিবার রাতে বাউফল থানায় এসে পুলিশের কাছে খুনের ঘটনা স্বীকার করেন।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আকতারুজ্জামান সরকার বলেন, সরোয়ার হোসেন থানায় এসে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দা উদ্ধার করি। এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর সরোয়ার জানান, স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত সন্দেহেই তিনি এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
কপিরাইট@২০২৩ দৈনিক প্রথম বাংলা। সমস্ত অধিকার সংরক্ষিত